উত্তরাতে ১সাপ্তাহে ২৫০ জন ছাএ-ছাত্রীকে আটক করা হয়েছে
উত্তরায় অযথা ঘোরাফেরা করার অভিযোগে–জানিয়েছেন-উত্তরা বিভাগের ডিসি বিধান ত্রিপুরা ) রাজধানীর উত্তরার বিভিন্ন থানা এলাকা থেকে এক সপ্তাহে প্রায় আড়াইশ’ ছাত্র-ছাত্রীকে আটক করা হয়েছে। স্কুল চলাকালীন লেকের পাড়ে বসে আড্ডা দেয়া, চায়ের দোকানে বসে সিগারেট খাওয়া এবং অযথা ঘোরাফেরা করার অভিযোগে তাদের আটক করা হয়। পরে মুচলেকা রেখে অভিভাবক ও স্কুল কর্তৃপক্ষের জিম্মায় তাদের ছেড়ে দেয়া হয়। এ ধরনের অভিযান এখনও অব্যাহত আছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় পুলিশের উত্তরা বিভাগের ডিসি বিধান ত্রিপুরা এসব তথ্য জানিয়েছেন। ডিসি বিধান ত্রিপুরা জানান, স্কুলছাত্র আদনান হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পুলিশের পক্ষ থেকে স্কুল কর্তৃপক্ষ ও অভিভাবকদের সচেতন করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ হাতে নেয়া হয়। স্কুল কর্তৃপক্ষকে বলা হয়েছে, কোনো শিক্ষার্থী যদি পরপর তিন দিন অনুপস্থিত থাকে তবে সেটি যেন পুলিশ এবং অভিভাবকদের জানানো হয়। সচেতনতামূলক সমবেশও করা হয়। এরপরও যারা সচেতন হয়নি তাদের বিরুদ্ধে অভিযান চলছে। এখন আস্তে আস্তে স্কুল পালানো শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমছে। তিনি জানান, উত্তরায় বিভিন্ন গ্রুপে বিভক্ত হয়ে দ্বন্দ্বে জড়াচ্ছে কিশোররা। এ ধরনের দ্বন্দ্বের কারণেই খুন হতে হয়েছে কিশোর আদনানকে। নাইন স্টার নামে একটি গ্রুপের সঙ্গে দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়ে ডিসকো ভয়েজ উত্তরা গ্রুপ। এ দু’গ্রুপের দ্বন্দ্বেই খুন হয় আদনান। তিনি জানান, আদনান হত্যা মামলায় ১৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে রিমান্ডে রয়েছে তিনজন। পাঁচ আসামি পলাতক রয়েছে। পাঁচজন স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। ৬ জানুয়ারি উত্তরায় একাধিক গ্যাংয়ের আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ট্রাস্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজের নবম শ্রেণীর শিক্ষার্থী আদনান কবীরকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করা হয়। এরপর উত্তরা এলাকার বিভিন্ন গ্যাংয়ের বিষয়টি আলোচনায় আসে
16730120_1882063815406923_126439568173547043_n















Comments